News Update :
Hot News »
Bagikan kepada teman!

যৌন সমস্যা ও সমাধান বিষয়ক প্রশ্ন-উত্তর পর্ব-২

Helth Tips
প্রশ্ন: স্যার বাজারে জেসব ঔষধ পাওয়াজায় সেক্স ও লিঙ্গো বারানোজোন্নো ওগুলোখেলেকি ভোবিসতে কোনো খোতি হবে?
উত্তর: সাময়িক ভাবে কাজ করলেও লং টার্মে বেশিরভাগই ক্ষতিকর।প্রশ্ন: অামার বয়স২২ বছর,রাতে ঘুমের সময় ধাতু বের হয় এটার সমাধান কি?
উত্তর : স্বপ্নদোষ হওয়াটা স্বাভাবিক ঘটনা। খুব বেশি হলে না হওয়ার পর দূর্বল লাগলে খাওয়া দাওয়া ঠিকমতো করবেন আর একটু বেশি বিশ্রামে থাকবেন।

প্রশ্ন: স্যার আমার মুখে প্রচুর ব্রণ ফুঠেছে কি খেলে বা কিকোরলে ভালোহবে প্লিস হ্লেপকরুন।
উত্তর : ব্রণের কোন চিকিৎসা নাই। হলে হাত বা নখ দিয়ে খোঁটা ঠিক নয়। তাতে কালো দাগ থেকে যাবে। সুগন্ধি সাবান বা ক্রিম ব্যবহার করা যাবে না। এলকোহল ফ্রি ফেসওয়াস ব্যবহার করবেন। রোদে যাবেন না। খাওয়া দাওয়া এবং ঘুম ঠিক রাখবেন।
প্রশ্ন: অামার বয়স ২২ বছর,অামি যখন ৭মশ্রেণীতে পড়ি তখন থেকে সপন দোশ হয়, ৭ দিনের মধ্যে ৫দিন হত, কোন রাতে ২,৩ বার হতো,বতমানে হয়,তবে কম,হলে তলপেটে ব্যাথা করে,চাপ ধরে থাকে। অন্যকোনো সমস্যা হয়েছে কি? জানালে খুশি হব।অার প্রচুর ধাতু ‍বের হয় ।কোমানোরকোন ওষুধ থাকলে দয়া করে বলবেন।হাত চালানোর অব্যাস নায়। ধণ্যবা
উত্তর: লিঙ্গ উত্থিত জনিত কারণে ব্যথা হলে যখন তখন লিঙ্গ উত্থিত না করাই ভালো। মেয়েদের ব্যাপারে স্বাভাবিক হবে। নিজেকে কন্ট্রোল করবেন। আজে বাজে দিকে নজর দেবেন না। বাকিটা সমস্যা নয়। তবে খাওয়া দাওয়া আর ঘুম ঠিক রাখবেন। নিয়মিত খেলাধূলা করতে পারলে ভালো।

প্রশ্ন: স্যার:আমার বয়স ২৫। আমার স্ত্রীর বয়স ২১।আমি যখন আমার স্ত্রীর সাথে সহবাসে লিপ্ত হই আমার স্ত্রীর অর্গাজম কিছুক্ষণের মধ্যে (৪-৫মি:) হয়ে যায়। আমার হয়না। সে ক্লান্ত হয়ে গেলে তারযোনী থেকে লিঙ্গ বের করে হস্তমৈথুন করে বীর্য বাহির করতে হয়। উল্লেখ্য যে, আমি কনডম ব্যবহার করি এবং তার যোনী খুব পিচ্ছিল হয়ে যায়। অবশ্য আমি আগে থেকেই ওকে উত্তেজিত করে ফেলি ( চুম্বন)। আমার ওরালকরি না। আপনার মতামত কামনা করছি।
উত্তর : তাহলে আগে থেকে বেশি উত্তিজিতনা করে দেখবেন।স্বামি-স্ত্রির মধ্যে ওরাল সেক্সে সমস্যা নেই।

প্রশ্ন: কয়েক দিন যাবত আমার লিঙ্গর ভেতর জ্বালা পোড়া করসে। এর জন্য আমি কি করতে পারি।আমার বয়স ২৫।
উত্তর: বেশি বেশি পান পান করুন। রাত জাগবেন না। খাবারে অনিয়ম করবেন না।

প্রশ্ন: যৌনাঙ্গ বড় করার কি কোন ঔষুধ আছে ? থাকলে দয়া করে বলবেন কি ? আমি খুব সমস্যায় আছি ।
উত্তর: যৌনাঙ্গ বড় করার কোন পদ্ধতি এখনো বের হয় নাই।

প্রশ্ন: আমার বয়স ৩২, বিবাহ করেছি ৩ বছর হল। গত ১ মাস যাবত আমি যৌন সমস্যায় ভুগছি। আমার যৌনসঙ্গমে ইচ্ছা থাকা সত্বেও আমার পেনিস সহসা উত্তেজিত/সক্তহতে চায় না, আবার হলেও খুব অল্পসময়ে বীর্যপাত ঘটে। এতে আমরি স্ত্রী চরমপুলক হতে বঞ্চিত হয়। আমার সমস্যা সমাধানে পরামর্শ দিলে উপকৃত হব।
উত্তর: হয়তো শরীর কিছুটা ক্লান্ত। আরেকটু বেশী রেস্ট নিন। খাওয়া-দাওয়া ঠিক রাখুন। হালকা ব্যায়াম করতে পারেন।

প্রশ্ন: সেক্স করার পরের মাসে যদি মাসিক হয়তাহলে কি গর্ভবতী হবার সম্ভাবনা আছে দয়া করে জানাবেন
উত্তর: মাসিক হওয়া মানে গর্ভধারণ হয়নাই।


সুত্র. medicaladvicebd.com
comments | | Read More...

যৌন সমস্যা ও সমাধান বিষয়ক প্রশ্ন-উত্তর পর্ব-১

Helth Tips
প্রশ্নঃ আগে আমার বীর্য দূরে ছিটকে যেত, এখন তা হয় না। গড়িয়ে গড়িয়ে বের হয়। কী করে আবার আগের মতো বীর্যপাত করাতে পারি?

উত্তরঃ বীর্যপাত গড়িয়ে গড়িয়েও হয়। এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। গবেষণায় দেখা গেছে অধিকাংশে বীর্য গড়িয়ে গড়িয়ে বের হয়।
—————————————————————————
প্রশ্নঃ আমি একজনের সাথে যৌনসঙ্গম করেছি। কনডম ব্যবহার করি নি। এরপর থেকে একটু চুলকানি, শুকনাভাব শুরু হয়েছে লিঙ্গে। আমার কি কোনো অসুখ হলো?

উত্তরঃ তেমন মনে হলে চিকিৎসকের কাছে গিয়ে সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিয়ে দেখুন কোনো জীবাণু এর জন্য দায়ী কি না। সন্দেহমুক্ত হওয়া ভালো।
—————————————————————————
প্রশ্নঃ আমার লিঙ্গটা শুকনো শুকনো। সঙ্গমের পর জ্বালা করে। কিভাবে স্বাভাবিক করা যায়।

উত্তরঃ দেখতে হবে কোনো অসুখ আছে কি না। চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
—————————————————————————
প্রশ্নঃ আমার লিঙ্গের গোড়ার যৌনকেশ শেভ করলে তা কি কনডমকে ছিদ্র করতে পারে?

উত্তরঃ লেটেক্স কনডম শেভ করা চুল দ্বারা সাধারণত ছিদ্র হয় না।
—————————————————————————
প্রশ্নঃ বীর্যরস ও বীর্যপাতের আগে যে রসক্ষরণ হয় তার পার্থক্য কি?

উত্তরঃ বীর্যপাতের আগে যে রসক্ষরণ হয় তা কপারস গ্ল্যান্ড নামক গ্রন্থি থেকে বের হয়। এটি মূত্রনালীকে পিচ্ছিল করে। বীর্যরস বলতে বোঝানো হয় শুক্রাণু ও প্রস্টেট গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত রস।

প্রশ্ন: জনাব, আমার বয়স ২৫ বছর ।
আমি দীর্ঘদিন ধরে একটি বিষয় নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি । আর তা হল আমার লিঙ্গের সাইজ উত্তেজিত অবস্থায় ৪.৫ ইঞ্চি।
আমি বুঝতে পারছিনা যে এই সাইজ আমার বয়স অনুযায়ী স্বাভাবিক কিনা । অনুগ্রহ করে জানাবেন এই সাইজের লিঙ্গ
দিয়ে আমি আমার স্ত্রী কে যৌন তৃপ্তি দিতে পারব কিনা ??? আরেকটা বিষয় বলে রাখি আমার এই সমস্যা ব্যাতিত আর কোন ধরনের সমস্যা নেই । আমি অতি শীঘ্রই বিয়ে করতে চাচ্ছি । তাই উত্তরটা তাড়াতাড়ি জানাবেন । আমি আপনাদের উত্তরের আশায় থাকলাম ।


উত্তর: অনেক সুন্দর করে গুছিয়ে গুরত্বপুর্ন একটি প্রশ্ন করার জন্যে অনেক ধন্যবাদ
উইকিপিডিয়া থেকে মানুষের স্বাভাবিক পেনিস সাইজ সম্পর্কে জানতে পারবেন, সে হিসেবে 5.1–5.9 ইঞ্চি উত্তেজিত
অবস্থায় স্বাভাবিক হিসেবে ধরার হয়, আর মনে রাখতে হবে যে স্ত্রী এর যৌন তৃপ্তি বড় পেনিস সাইজ এর উপর নির্ভর
করে না বরং বড় সাইজের পেনিস গুলোতে স্ত্রী’র একটু কষ্ট হয় এবং দীর্ঘক্ষন উত্তেজিত পেনিস সর্বোচ্ছ যৌন তৃপ্তি দান
করতে সক্ষম সাদারনত যাদের পেনিস সাইজ উত্তেজিত অবস্থায় ৩ ইঞ্চি বা এর কম তাদের ক্ষেত্রে দুচিন্তা এর কারন
থাকতে পারে(যা প্রতি এক হাজারে ৬ জনের এই সমস্যা থাকতে পারে ) যে সমস্যা গুলো থাকলে যৌন তৃপ্তি নাও
পেতে পারেনঃ

1. দ্রুত বীর্যপাত সমস্যা,
2. শারীরিক দুর্বলতা(দীর্ঘ সময় যৌন
কাজে উত্তেজিত না থাকতে পারা)
৩. হস্ত মৈথুন করার বদ অভ্যাস,
৪. অন্য কোন যৌন সমস্যা
আর এই সমস্যা দূর করার জন্য একজন
ভালো সেক্স ডাক্তার দেখাবেন ।

ধন্যবাদ ভাল থাকুন

সুত্র. medicaladvicebd.com
comments | | Read More...

জেনে নিন কিভাবে যৌন মিলনের সময় বাড়াবেন

১. নিজেকে অযথা উত্তেজিত হতে দিবেন না , আপনি জানেন যে ব্যপার টি হতে চলেছে তাই ধৈর্য ধরুন ।

২. ব্যাপারটি নিয়ে তাড়াহুড়া করবেন না , ধীরে শুরু করুন।

৩.সঙ্গিনীর গায়ে হাত দেয়ার আগে তার সাথে রোমান্টিকতা করুন , তাকে আপনার দেয়া আদুরে নাম ধরে ডাকুন , তাকে জানান যে আপনি তাকে ভালবাসেন।
এর কারন হল পুরুষ এর যৌন চাহিদা জৈবিক , কিন্তু নারীদের তা নয় । তাদের এই চাহিদা মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রিত , তাই উত্তেজিত হতে সময় লাগে ।
যদি সঙ্গিনির মন খারাপ , শরীর খারাপ থাকে তাহলে মিলন করবেন না কারন, তখন তার শরীর সাড়া দেবে না ।

৪.চুম্বন দিয়ে শুরু করুন এবং তা দীর্ঘায়িত করুন ।

৫. স্পর্শ কাতর অংশে প্রথমেই হাত দিবেন না, তার আশে পাশে স্পর্শ করুন , যখন বুঝবেন আপনার সঙ্গিনীর উত্তেজন উঠছে তখন স্পর্শ কাতর অংশে মৃদু ভাবে আদর করুন ।

৬. আপনার সঙ্গিনী পুরোপুরি উত্তেজিত হবার ১-২ মিনিট পর মিলনের প্রস্তুতি নিন।

> মিলন পর্ব-

(শোবার ঘরটি সুন্দর করে সাজিয়ে রাখুন , এটি শুধু ঘুম এবং যৌন মিলনের জন্য ব্যবহার করুন । মিলনের সময় ঘরে হালকা আলো জ্বালিয়ে রাখুন , রোমান্টিক গান চালু রাখুন । )

১. সঙ্গিনীর দেহে প্রবেশ এর পূর্বে আপনার যৌনাঙ্গ দিয়ে দিয়ে তার যৌনাঙ্গে হালকা ভাবে আদর করুন , সঙ্গীকে জানান যে আপনি এখন প্রবেশ করতে যাচ্ছেন , এর ফলে সে আপনাকে ভিতরে নেয়ার জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত হবে ।

২. কক্ষনোই জোর করে ঢুকার চেষ্টা করবেন না , যদি দেখেন যে আপনার সঙ্গিনীর যৌনাঙ্গ আপনাকে নেয়ার জন্য প্রস্তুত নয় তবে তাকে আশ্বাস দিন যে অসুবিধা নেই , সঙ্গিনীকে রাগ দেখাবেন না । যৌনাঙ্গ সবসময় এক ধরনের Response নাও দিতে পারে। যদি রাগ দেখান তাহলে পরবর্তীতে সে উত্তেজিত হবার বদলে ভয় পাবে এবং তার মস্তিস্ক Response করতে প্রচুর সময় নিবে ।

৩. প্রবেশ এর পর আস্তে আস্তে আদর করুন , সঙ্গিনীকে মন থেকে ভালোবাসার কথা বলুন , তার সারা শরীর এ হাত বুলান । মনে রাখবেন যে , যদি আপনার সঙ্গী আপনার কাছ থেকে ভালবাসা পূর্ণ শারীরিক আদর লাভ করে তাহলে এটি তার কাছে আনন্দময় মুহূর্ত হিসেবে গণ্য হবে , এবং তা সুখকর স্মৃতি হিসেবে তার মস্তিস্কে জমা হবে । ফলাফল হিসেবে পরবর্তীতে যৌন মিলনের সময় তার Response অনেক ভালো হবে ।

৪. সঙ্গিনীকে ব্যথা দিবেন না । মাঝে মাঝে প্রশ্ন করুন যে তার কেমন লাগছে । যদি দেখেন যে আপনার সঙ্গিনীর যোনি রস কমে আসছে বা শুকিয়ে আসছে তাহলে সঙ্গম শেষ করে দিন , জোর করে দীর্ঘায়িত করবেন না ।

৫. মিলনের এক পর্যায়ে যখন আপনি অনুভব করছেন যে আপনার একটি শিরশিরে অনুভূতি হচ্ছে এবং এই অনুভূতি আর একটু বাড়লেই আপনার বীর্যপাত হয়ে যাবে , তখন কোমর সঞ্চালন বন্ধ করুন । চুপচাপ সঙ্গিনীর উপর শুয়ে থাকুন এবং তাকে গলায় বা কানে চুমু দিন। চোখ বা চুলের প্রশংসা করুন । আলতো ভাবে তাকে আদর করুন । এতে আপনার মনোযোগ অন্য দিকে সরবে এবং শিরশিরে অনুভূতি কমে গিয়ে যৌনাঙ্গ আবার স্বাভাবিক হবে । এরপর আবার মিলন শুরু করুন । প্রক্রিয়া টি ২-৩ বার এর বেশী প্রয়োগ করবেন না ।

৬. আসন পরিবর্তন করুন । এক এক দম্পতি এক এক আসনে তৃপ্তি বোধ করেন , তাই ধীরে ধীরে জেনে নিন আপনাদের কোন আসন পছন্দ । সেগুলো প্রয়োগ করুন।

৭. মিলনের সময় যদি অল্প সময়ে নারী সঙ্গির যোনি রস শুকিয়ে আসে , বা পুরুষ সঙ্গির লিঙ্গ তেমন শক্ত না হয় , বা দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যায় তাহলে সঙ্গীকে দোষারোপ করবেন না । নিয়মিত যৌন জীবন এর মাঝে মাসে ২-৪ বার এরকম হতেই পারে । সঙ্গীকে জানান যে কোন অসুবিধা নেই । পরের বার ভালো হবে । প্রত্যেক বার যে পূর্ণ যৌন মিলন করতেই হবে এমন কথা নেই ।

৮. এক এক দম্পতি উত্তেজিত হবার এক এক নিয়ম ( যেমন , চুম্বন , ব্লো-জব ) পছন্দ করেন , জেনে নিন আপনাদের কোনটি পছন্দ । সেটি করুন । একক সিদ্ধান্ত নেবেন না । আপনার সঙ্গী যদি কোনটি পছন্দ না করেন তবে সেটি করবেন না ।

৯.আপনার ইচ্ছা করছে কিন্তু আপনার সঙ্গীর করছেনা । তাহলে নিজেকে সংযত করুন ।

১০.ঘরে নগ্ন চলাফেরা করবেন না তাহলে শরীরের প্রতি আকর্ষণ কমে যেতে পারে ।

১১. নারী সঙ্গীরা রাতে শোবার আগে পোশাক পরিবর্তন করে যৌন উত্তেজক পোশাক পড়ুন ।

১২. নারী সঙ্গীরা ভাববেন না যে পুরুষ সঙ্গিরাই সবসময় আমন্ত্রণ জানাবে । আপনিও জানান । নিজের যৌন চাহিদা প্রকাশ করুন ।

বিঃদ্রঃ আমাদের পোষ্ট গুলো যদি আপনার ভাল লাগে তাহলে অবশ্যয় কমেন্ট করে জানাবেন…….
পোষ্টটি ভালো লাগলে সেয়ার করতে ভুলবেন না

আপনাদের সুখী জীবনই আমাদের কাম্য।


সুত্র. medicaladvicebd.com
comments | | Read More...

ব্রেস্ট বড় করার উপায় কি ? যৌন-মিলনের সময় বীর্যপাত কেন হয় ? লিঙ্গ কতটা চওড়া হওয়া উচিত?

উত্তরঃ 1. নিয়মিতভাবে গোসল করার পুর্বে সরিষার তেল হালকা গরম করে অথবা পিউর মধু হাতে নিয়ে ১০-১৫ মিনিট ম্যাসাজ করলেই মাস খানেক এর মধ্যে ফলাফল পাবেন।

2. ব্রেস্ট বড় হয় ম্যাসাজ এর জন্য, ৩৪-৩৬ সাইজ হল পারফেক্ট সাইজ, অনেকেরই এর চেয়ে অনেক ছোট ।

3. আসলে কোন পিল বা ক্রিম ব্যাবহার করলে ব্রেস্ট বড় হবে এমন ধারনা ভুল, বরং এগুলোর অনেক সাইড ইফেক্ট রয়েছে। ব্রেস্ট ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে ক্রিম ব্যাবহার করার ফলে।

প্রশ্নঃ লিঙ্গ কতটা চওড়া হওয়া উচিত?

উত্তরঃ এ বিষয়টি নিয়ে বিশেষ কোনো গবেষণা হয়নি। ফলে লিঙ্গের পরিধি কতটা হলে স্বাভাবিক
তা বলা হয়নি কোথাও। যেহেতু লিঙ্গের পরিধির মাপ সঠিক হয় না এবং লিঙ্গের বিভিন্ন স্থানে এর মাপ বিভিন্ন রকম তাই এ নিয়ে যা কিছু বলা হয়েছে তা বিশ্বাসযোগ্য নয়।

প্রশ্নঃ যৌন-মিলনের সময় বীর্যপাত কেন হয় ?

উত্তরঃ বীর্য থাকে লিঙ্গ থেকে অনেক দূরে দু’টি পৃথক
আধারে। আমরা সবাই জানি যে, সুস্বাদু খাবার
দেখলে আমাদের জিভ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ে । কিন্তু কেন ? সবাই ধরে নেয়, আমাদের জিভের
মধ্যে অনেকগুলো সূক্ষ্ম স্পর্শকাতর স্নায়ুতন্ত
মিলিত হয়েছে। সুস্বাদু খাবার দেখলে সবার মধ্যে এক ধরনের আবেগের সঞ্চার হয়। এই আবেগে কোমল স্নায়ুগুলোর ওপর চাপ পড়ে উত্তেজনা সৃষ্টি করলে এক ধরনের লালা রস জিভ থেকে ক্ষরন হয়, তাই ওভাবে জিভ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ে। লালা জাগার সময় যে আবেগ সঞ্চার হয়, জিভের পানির আকারে তা না পড়ে গেলে স্নায়ুতন্ত গুলোর জ্বালা কমে না, তাই লালসার তাড়নায় আমরাও কষ্ট পাই। অর্থাত্ জিভের পানি হলো জিভের স্নায়ুর উত্তেজনার নিবৃত্তি। ঠিক তেমনি বীর্যপাতের ফলে জনন তন্তের উত্তেজিত স্নায়ুতক্তের নিবৃত্তি। যতক্ষন না বীর্যপাত হচ্ছে ততক্ষন কামোত্তেজনার নিবৃত্তি নেই ।

আমাদের পোষ্ট গুলো যদি আপনাদের সামান্য ভাললেগে থাকে অথবা উপকারে এসে থাকে তাহলে পোষ্ট গুলোর কমেন্টে অন্তত একটা “Thanks” জানাইয়েন।
comments | | Read More...

সুন্দরী নারীর পছন্দের পুরুষ যারা

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অনেকেই মনে করেন নারীরা কেবল সুন্দর, সুদর্শন, লম্বা, বিশাল অবয়বের দেহ এবং কাড়ি কাড়ি টাকা আছে এমন পুরুষকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পছন্দ করেন। কিন্তু বর্তমান যুগের নারীরা জীবনসঙ্গী হিসেবে পুরুষের শারীরিক সৌন্দর্যের চাইতে পুরুষের গুনাবলীকে প্রাধান্য দেন বেশি। হাসিখুশি ও প্রাণখোলা মানুষকে সবাই পছন্দ করেন।

আর যদি হয় জীবনসঙ্গী তাহলেতো কথাই নেই। জীবনসঙ্গী হিসেবে হাসিখুশি পুরুষকে নারীরা আশা করেন। এছাড়া যতœশীল এবং দায়িত্বশীল পুরুষ নারীর কাম্য। সৃজনশীল কাজের সঙ্গে যুক্ত এমন পুরুষও নারীর পছন্দের তালিকায় এগিয়ে। কবিতা আবৃত্তি করতে পারেন, গীটার বাজাতে পারেন, গান গাইতে পারেন অর্থাৎ গতানুগতিক কাজের বাইরে সৃজনশীল কাজ করতে পারেন এমন পুরুষকে নারীরা পছন্দ করেন।

সামাজিক যেকোন অনুষ্ঠানে যোগদানে আগ্রহী এবং সুন্দরভাবে গুছিয়ে সবার সঙ্গে কথা বলতে পারেন, কথোপকথনে কোনো জড়তা নেই। এমন বাচনভঙ্গির পুরুষ নারীর পছন্দের তালিকায় শীর্ষে। আমাদের দেশের অধিকাংশ নারী বাড়ির বাইরে নিরাপত্তাহীনতা ভোগে। নারীকে এমন অজানা আশঙ্কা থেকে সুরক্ষা দিতে পারবে এবং সব সময় নিরাপদে রাখতে পারবে,আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারবে এমন সাহসী পুরুষকে নারীরা জীবনসঙ্গী হিসেবে চায়।

বন্ধু-বান্ধবীহীন পুরুষকে নারীরা মোটেও পছন্দ করেন না। যে পুরুষ নিজের বন্ধুদের সঙ্গে প্রানোচ্ছল ভাবে মিশতে পারে এবং জীবনসঙ্গীর বন্ধুদের সঙ্গে মিশতে কার্পণ্য করেন না। গম্ভীর পুরুষকে নারীরা জীবন সঙ্গী হিসেবে পেতে চান। অস্থির প্রকৃতির পুরুষের সঙ্গে ক্ষণিকের সম্পর্ক করলেও জীবনসঙ্গী হিসেবে কখনোই চান না এমন পুরুষকে।


সুত্র. breakbd.com
comments | | Read More...

সেক্স বাড়ানোর ঔষধনিয়ে কিছু কথা

যারা সহবাসেরপূর্বে বা শখের বসের যৌন শক্তি বাড়ানো ঔষধ ইয়াবা অথবা ট্যাবলেট
সেবন করেন.তাদের জন্য একটি পরামর্শ সেক্স বাড়ানো জন্য যৌন শক্তি বর্ধক
ট্যাবলেট খাবেন না । এই ঔষধ পুরুষ কে ধ্বজভংগ রোগের দিকে ঠেলে দেয় কিছু
ক্ষেত্রে মানুষকে মৃত্যুর ঠেলে দেয় । যৌন শক্তি বাড়ানো জন্য কোন
ঔষধ সেবনের প্রয়োজন নেই.গবেষনায়দেখা যায় পুরুষের পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়ার মাধ্যমেযৌন শক্তি পেয়ে থাকে ।

এক্ষেত্রে গাভীর খাঁটি দুধ ও ডিমের
ভূমিকা অসাধারন। যৌনশক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রে ইউনানী ঔষধগুরুত্বপূর্ন
ভূমিকা রাখতে পারে । এজন্য অবশ্যই অভিঞ্জ ও রেজিষ্টার্ড হাকীমের পরামর্শ নিতে হবে । মনে রাখবেন রাস্তা ফুটপাতে থেকে যৌন শক্তিবর্ধক ট্যাবলেট কেনাথেকে বিরত থাকুন।
যৌন বাড়ানোর কোন মন্ত্র আছে বলেবিঞ্জান বিশ্বাস করেন না। যারা আপনাকে মন্ত্র
পড়ে সহবাসের পরামর্শ দেয়.নিছক আপনার সাথে প্রতারনা করে মাত্র। তাইযে কোন
চিকিত্সা বা পরামর্শের জন্য রেজিষ্টার্ডচিকিত্সকের পরামর্শ নিন !
comments | | Read More...

কিভাবে আপনার স্ত্রীকে গর্ভবতী করবেন ?

যদি কেউ আল্লাহর ইচ্ছায় সন্তান নিতে চায় এবং সহবাসের
দ্বারা স্ত্রীর গর্ভে সন্তান জম্ম হোক কামনা করে, তাকে নিম্মোক্ত পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।

* সহবাসের পর স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে কিছুক্ষণ চুপচাপ বুকের উপর নিজের ওজন স্ত্রীর
শরীরে না দিয়ে শুয়ে থাকবে। যেন নিজের বীর্য স্ত্রীর রেহেমের শেষ
প্রান্তে পৌঁছে যায় এবং পুরুষাঙ্গে সামান্যতম বীর্যও অবশিষ্ট না থাকে। এ বিষয়টিও
খেয়াল রাখতে হবে যে, স্ত্রীর গুপ্তস্থানে পুরুষাঙ্গ কম্পিত অবস্থায়
আছে কিনা? কোনো অবস্থায়তেই বাইরে বের করবে না । পুরুষাঙ্গ যখন
ঠান্ডা ও নিস্তেজ হয়ে যাবে কিছুক্ষণ পর বাইরে বের করে আনবে। এরপর সাথে সাথেই নরম
ও মোলায়েম নেকড়া দ্বারা পেঁচিয়ে রাখবে । কোনো অবস্থায়তেই যেন ঠান্ডা বাতাস না লাগে ।
কেননা ঠান্ডা বাতাস লাগার দ্বারা পুরুষাঙ্গের শিরা বা রগসমূহ
দুর্বল হয়ে যায় । কিছুক্ষণ পর যখন পুরুষাঙ্গ একেবারেই ঠান্ডা ও নরম
হয়ে যাবে তখন ধীরে ধীরে পেঁচানো নেকড়া দিয়ে তা পরিস্কার করবে ।

* সহবাসের পর স্ত্রীকে আধা ঘন্টা সময় চিত হয়ে শুয়ে থাকতে হবে,
কোনো নড়াচড়া করা যাবে না । নড়াচড়া করলে বীর্য রেহেমের বাইরে বের হয়ে আসার অধিক
সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য সে তাঁর দুই রান দ্বারা লজ্জাস্থানকে চেপে ধরে এমন
ভাবে শুয়ে থাকবে যেন, সামান্য বাতাসও ভিতরে যেতে না পারে। এভাবে বীর্য বাচ্ছাদানির
গভীরে পৌঁছে এবং নিজের স্থান নিয়ে নেয় । এ অবস্থায় ঘুমিয়ে পড়লে আরো ভালো।
* বাচ্ছাদানি এটি একটি উপুড় করা অঙ্গ । সুতরাং সহবাসের পর উঠ-বস বা নড়াচড়ায় বীর্য বের হয়ে যায়। এজন্য বাচ্ছা কামনা করলে, তাকে আলালহর উপর ভরসা করে চুপ
চাপ দুই রান চেপে ধরে সোজা হয়ে শুয়ে থাকতে হবে। নড়াচড়া না করার ফায়েদা হল,
আসলে বাচ্ছাদানিতে বীর্য প্রবেশের পরই তাঁর কার্যক্রম শুরু হয়ে যায়। এজন্য মহিলারা সে সময়
যেমন শান্ত থাকবে, সন্তানের অবস্থানও তেমন মজবুত ও স্থায়ী হবে।


comments | | Read More...

যৌন উত্তেজনা বাড়ানোর সফল কয়েকটি টিপস

যৌন বিজ্ঞানের মতে, নারীদের পুরো শরীরই যৌন উত্তেজক। বিশেষ করে পেটের এবং তলপেটের নিচের
দিকে ভগাঙ্কুরের মাঝামাঝি স্থানে নারীর উত্তেজনা মারাত্মকভাবে লুকিয়ে থাকে।
পুরুষদের তাদের নারীদের সাথে যৌন মিলনে যাবার সময় এটি বেছে নিতে হবে।
এতে করে পুরুষদের উত্তেজনা চূড়ান্ত হবার আশঙ্কা থাকে।

ঠোঁট চুম্বনঃ
ঠোঁট চুম্বন হলো নারী বা পুরুষের যৌন উত্তেজনার সূচনা পথ। দীর্ঘ সময় উলঙ্গ
শরীরে ঠোঁট চুম্বন করুন তারপর পুরো শরীর চুম্বনে যান। ঠোঁট চুম্বনের সময় দুজন
দুজনের পিঠ ও নিতম্বদেশ স্পর্শ করুন এতে উত্তেজনার সূচনা পথ প্রসারিত হবে।

পুরো শরীর স্পর্শঃ
জিহ্বা এবং হাতের আঙ্গুল যৌন উত্তেজনা বাড়াতে পারে। নারীর
যোনিমুখের পাতলা আবরণ এবং ক্লাইটোরিস বা ভগাঙ্কুর যদি পুরুষ তার জিহ্বা দিয়ে নাড়াচাড়া করে তবে নারীর
অনুভূতি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে যায়। এছাড়াও ভালভাবে নখ ছেঁটে পুরুষ তার
হাতের আঙ্গুল নারীর যোনিতে প্রবেশ করিয়েও তাকে তীব্র যৌনকাতর
করে ফেলতে পারে। এতে করে নারীর উত্তেজনা পুরো শরীরে প্রবেশ
করে এবং উত্তেজনার রেশ বাড়তে থাকে।

নারীর অধিগ্রহণঃ
পুরুষের মুখের কাছে নারী তার যৌনাঞ্চলগুলো স্পর্শ, ঘ্রাণ দিয়ে যাবে।
অনেক সময় নারীর যৌন অঞ্চলের ঘ্রানে পুরুষের উত্তেজনা দ্বিগুণ হয়।
এতে করে পুরুষ বেশি উত্তেজিত হয়ে উঠবে। একে নারীর অধিগ্রহণ বলা হয়।

সূত্র. medicaladvicebd.com/archives/348
comments | | Read More...

দ্রুত বীর্যপাত হয় ? ডাক্তারের পরামর্শ

আমরা অনেকের কাছ থেকে প্রশ্ন পেয়েছি দ্রুত বির্যপাত বিষয়ে । আজকে এ বিষয়ে স্পষ্ট কথা এবং সলিউশন
দেয়া হবে ।
ছেলেদের প্রথমেই যে প্রশ্ন টা থাকে তা হল , –
“আমার দ্রুত বের হয়ে যায় । আমি কি করবো ? “
এটির জন্যআমরা অনেকগুলো সলিউশনদে
তবে সবার আগে দ্রুত বলতে আপনি কি বোঝান তা বুঝতে হবে ।
একটি ছেলের যদি করার সময় ১০মিনিটের মাথায় বীর্যপাত হয়,সেটি সম্পূর্ণ
স্বাভাবিক । একে দ্রুত বীর্যপাত বলা যাবে না । এমনকি ৬-৭ মিনিট ও
স্বাভাবিক বলা হয় ।আপনি তখনি আপনার এ বিষয়
টি নিয়ে চিন্তা করবেন যখন আপনার তার থেকেও কমঅর্থাৎ ১-৫ মিনিটে বের হয়ে যাবে ।
কেবলতখনি আপনি বলতে পার যে আপনারএ সমস্যা অর্থাৎ দ্রুত বের হয়েযাচ্ছে।
চিন্তার কোন কারণ নেই । মূল আলোচনার আগে আর একটি প্রচলিত ধারণার
কথা বলা যাক । অনেক মানুষ ই আছেন যারা মনে করেনতার অধিকাংশ সমস্যার কারণ
মাস্টারবেশন । এটি ভুল ধারণা । মাস্টারবেশন
বা হস্তমৈথুন সম্পুর্ণ স্বাভাবিক একটি ব্যপার । এতে আপনার কোন দিক
দিয়েই কোন ক্ষতি হবার চান্স নেই । এই কথাটি বলার কারণ খুব
ই সরল । কারণ অনেকেই মনে করে তার দ্রুত বীর্যপাতের আসল কারণ
সে অনেক মাস্টারবেট করে ।

এখানে একটি থিওরি আছে । বোঝানোর চেষ্টা করছি।
ধরুণ আপনি বাথরুমে গেলেন মাস্টারবেশন করতে । আপনি যসি ২০মিনিট
ধরে করেন তাহলে অবশ্যই আপনার বাসা থেকে ডাকাডাকি হবে
না হলেও আপনার অবচেতন মন ই আপনাকে তাড়া দেবে । এজন্য যা হয় তা হল , অবচেতন ভাবেই ছেলেরামাস্টারবেট
করতে করতে দ্রুত কিভাবে বের করা যায় সেটা শিখে ফেলে । পরে সেক্স করার সময় মনের
অজান্তেই হয়তো পেনিসের তার সেই স্পেশাল জায়গা অথবা তার সে বিশেষ স্টাইল
সে ধরে ফেলে , ফলে তাড়াতাড়ি বের
হয়ে যায় । এখন , যাদের আসলেই দ্রুত বের হয়ে যায় তারা কি করবেন ? কারণ অবশ্যই , আপনার
গার্লফ্রেন্ড বা ওয়াইফ আপনার পেনিস মুখে নিল , আর আপনার বের হয়ে গেল কিছু করার আগেই ,
অথবা ধরলো আপনার পেনিস , সাথে সাথে বের হয়ে গেল ,অথবা আপনার গার্লফ্রেন্ড বা পার্টনার
হয়তো উত্তেজক কিছু করলো আপনার সাথে , তখনি বের হয়েগেল । এগুলো হল সমস্যা।
সলিউশনেযাই এবার আমরা । একটি ব্যপার স্বাভাবিক ।
ধরুন আপনি অনেকদিন করেন না , আপনার পার্টনারের সাথে অনেকদিন পর করতে গিয়ে উত্তেজনায়
দ্রুত বের হয়ে আসলো স্পার্ম । এটি স্বাভাবিক ,এতে ঘাবড়ানোর কিছুনেই ।
এটি আপনার অক্ষমতা নয় । এবার আসুন দেখি যাদের দ্রুত বেরহয়ে যায় তারা কি কি করতে পারেন –
– হাতের ওপর জোর বাড়ানো । অনেক সময় দেখা যায় ছেলেরা করার সময় সব বা প্রায় সব ভর
পেনিস এই দিয়ে থাকে , এতে দ্রুত বের হয়ে যেতে পারে তাই হাতে জোর বাড়াতে হবে ।
– এক পজিশনে বেশিক্ষণ না করে পজিশন বদলে বদলে করতে হবে ।
– একটি অন্য্রকম পদ্ধতি হল একবার বের করে দেয়া । আপনি আপনার স্পার্ম পার্টনার কে দেখিয়ে তার
গায়ে অথবা অন্য কোথাও সেক্স এর আগেই বের করুন একবার। সে হর্নি হবে দেখে । এবার
পেনিস টা ভালমত পানি দিয়েধুন । এবার ২মিনিট ব্রেক এর পর
আস্তে আস্তে আবার কিসিং শুরু করুন । ১৫মিনিটের মাথায় আবার ঢুকাতে সক্ষম হবার কথা ।
– ঢোকানো অবস্থায় যদি আপনার মনে হয় যে এখনি বের
হয়ে আসছে তখন আর সোজা ধাক্কা না দিয়ে ঘোর করুন । হাত দিয়ে পেনিস ধরবেন না ।
– একটি অভ্যাস প্র্যাকটিস করুন বাসায় । নিজে পেনিস কে উত্তেজিত করে বের
হওয়ার ঠিক আগমুহূর্ত পর্যন্ত নিয়ে যান , এর পর আবার স্বাভাবিক হোন বের
না করে । এটি সপ্তাহে একবারের বেশিনা করাই ভাল কারণ
এতে দেহের ক্ষতি হতে পারে । আশা করি এসকল
ব্যপারে সতর্ক থাকলে আপনার সেক্স লাইফ হবে আরোমজার ।

সূত্র. medicaladvicebd.com/archives/308
comments | | Read More...

দুটি সেক্স পজিশন ব্যাখ্যা করব যাতে মেয়েরা সহজে অরগাজম পায়

আজকেও আমি আপনাদের দুটি সেক্স পজিশন ব্যাখ্যা করব যাতে মেয়েরা সহজে অরগাজম পায় ।
আসুন জেনে নেওয়া যাক>>>>>>
ক. ডগি স্টাইলঃ এই আসনটি মেয়েদের জন্যে খুবই উপযুক্ত কারন এতে মেয়েটি তার ইচ্ছামত সেক্সের
সময় মুভমেন্ট করতে পারে, পেনিস কে তার যোনির ভিতর ইচ্ছামত নাড়াচাড়া করিয়ে নিতে পারে । যৌনক্রিয়ার
বেগও নিজের ইচ্ছামত নিয়ন্ত্রন করতে পারে । এর সাথে সাথে পুরুষের সুবিধা হচ্ছে সে ইচ্ছামত খুব সহজে নারীর
””জি স্পট”‘ এ স্পর্শ করতে পারে এবং হাত দিয়ে নারীর ক্লাইটরিস বা ভগ্নাংকুরে ঘর্ষণ করে নারীকে ইচ্ছামত
মজা দিতে পারে । নারী নিজেও নিজের ভগ্নাংকুরে ইচ্ছামত হাত দিয়ে ঘর্ষণ করতে পারে । এতে নারীর খুব দ্রুত
অরগাজম হতে পারে ।

কৌশল খুবই সাধারনঃ
১. মেয়ে দুই হাত এবং দুই হাঁটুর উপর ভর করে উপুড় হবে । চারপেয়ে প্রাণীর মত ।
২. পুরুষ পিছনে দুই বা এক হাঁটুর উপর ভর করে দাঁড়াবে ।
৩. পুরুষ এক বা দুই হাতে নারীর কোমর জড়িয়ে ধরবে ।
৫. এবার পুরুষাঙ্গ যোনির মধ্যে প্রবেশ করান ।
৪. এরপর দুজনই দুজনের সাথে মিল রেখে সামনে পিছনে কোমর দোলাতে শুরু করবে ।
৫. মাঝে মাঝে স্পিড বাড়ান আবার মাঝে মাঝে কমিয়ে দিন । এতে সেনসেশন বেশি হবে ।
৬. পুরুষ বা নারী এক হাতে ভগ্নাংকুর বা ক্লাইটরিসে ঘর্ষণ করুন । এতে সেনসেশন দ্বিগুণ হয়ে যাবে ।
খ. গার্ল অন টপঃ এই পদ্ধতি রিভার্স কাউগার্ল পদ্ধতির মতই । কিন্তু এই পদ্ধতিতে নারীর মুখ আর পুরুষের মুখ একই দিকে থাকবে । এই পদ্ধতির সবচে বড় সুবিধা হল ভগ্নাঙ্কুর বা ক্লাইটরিস এ খুব সহজে পেনিস স্পর্শ
করতে এবং ঘষা খেতে পারে । এজন্যে মেয়ের অরগাজম খুব তাড়াতাড়ি আসে ।কিভাবে করবেন জেনে নিনঃ
১. প্রথমে পা ছড়িয়ে বসুন বা শুয়ে পড়ুন ।
২. এরপর আপনার মেয়ে সঙ্গীকে আপনার উপরে বসান । সে হাঁটু গেড়ে পা ভাজ করে বসবে ।
৩. মেয়ের মুখ আপনার মুখের দিকে থাকবে ।
৪. পুরুষাঙ্গ যোনিতে প্রবেশ করান ।
৫. এবার মেয়ে ঘোড়া চড়ার ভঙ্গিতে উঠানামা করবে ।
৬. আপনিও নিচে থেকে উপরের দিকে পুশ (push) দিন ।
৭. মেয়ের প্রথমদিকে উঠানামা করতে অসুবিধা হতে প সেক্ষেত্রে আপনি তার হিপ(hip) পশ্চাৎদেশ ধরে তাকে উঠানামা করতে সাহায্য করুন । কিছুক্ষন পরেই দেখবেন ছন্দ চলে এসেছে । আপকামিংঃ
সামনে বিভিন্ন সময়ে আমি আরও ছয়টি সেক্স পজিশন ব্যাখ্যা করব ।

সূত্র. medicaladvicebd.com
comments | | Read More...

Popular posts

 
Design Template by Edu Blog | Support by Download Full Movies | Powered by Blogger