News Update :
Hot News »
Bagikan kepada teman!

Watch YouTube Video Without Internet On Google Smart Phones

ইন্টারনেট ছাড়াই ইউটিউবের ভিডিও দেখার সুযোগ দিচ্ছে গুগল। গুগলের স্মার্টফোন বাজারে আসছে, আর এ জন্যই ক্রেতাদের এ উপহার দিচ্ছে গুগল।

তবে শুরুতেই এ সুবিধা ভোগ করবেন কেবল ভারতের গুগল ফোন ব্যবহারকারীরা।

গুগলের পক্ষ থেকে এ ধরনের অফলাইনে ইউটিউব দেখার সুবিধা এই প্রথম দেয়া হচ্ছে।

সোমবার দিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনে গুগলের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেয়া হয়।

গুগল ফোন ব্যবহারকারীরা ওয়াইফাই সংযোগ ব্যবহার করে ইউটিউবের ভিডিও স্টোর করতে পারবেন এবং পরে ইন্টারনেট ছাড়াই তা দেখতে পাবেন।

গুগলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভারতের পর সারা বিশ্বেই এ সুবিধা পাওয়া যাবে। তবে কবে থেকে তা জানানো হয়নি।
comments | | Read More...

দুই বাংলার এই দুই তারকা এবার একসঙ্গে জুটি

দুই দেশের দুই জনপ্রিয় তারকা যখন একসাথে হবেন তখন আসলে কি হবে ভেবে দেখেছেন? তবে এই দুই তারকার একজন টালিগঞ্জের নায়ক অঙ্কুশ আর বাংলাদেশের নায়িকা মাহিয়া মাহি। দুই বাংলার এই দুই তারকা এবার একসঙ্গে জুটি বেঁধে কাজ করতে যাচ্ছেন।
দুই দেশের দুই তারকাকে নিয়ে কাজ করা প্রসঙ্গে কলকাতা থেকে সংবাদ মাধ্যমকে মোবাইলফোনে অশোক পাতি বলছিলেন, ‘অঙ্কুশের সঙ্গে তো আমার অনেক কাজ হয়েছে। আমি মাহির অগ্নি সিনেমাটি দেখেছি। তার কাজ আমার ভালো লেগেছে।’
প্রথমবার একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে রোমাঞ্চিত মাহি। তার অনুভূতি, ‘আমি খুব খুশি। আবার কিছুটা ভয়ও পাচ্ছি। কেননা, নতুন জায়গায় কাজ করতে হবে। চেষ্টা করব আত্মবিশ্বাস নিয়ে ভালো কিছু করার।’
এদিকে কলকাতা থেকে অভিনেতা অঙ্কুশ মোবাইলফোনে তার অনুভূতি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘মাহির খুব বেশি কাজ আমি দেখিনি। শুনেছি, মাহি বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের ভালো অভিনেত্রী। অগ্নি ছবির কিছু ফুটেজ আমি দেখেছি।
comments | | Read More...

দাম্পত্যে ফিরিয়ে আনুন হারিয়ে যাওয়া উষ্ণতা

বিয়ের পর বেশ কয়েকটা বছর কেটে যাওয়ার পর, পুরনো স্মৃতি ভীষণ ভাবে আঁকড়ে ধরতে চায়।দু’জন দু’জনের হাত ধরে রাস্তায় হাঁটা, একজন আরেকজনকে খাইয়ে দেওয়া, বুকে মাথা রেখে ঘুমিয়ে যাওয়া ইত্যাদি নানান স্মৃতি মনে পড়ে যায়। আর তার কারণ একটাই। সম্পর্কটা আর আগের মত নেই। সম্পর্কের উষ্ণতা হারিয়ে গিয়েছে কোথায় যেন। জীবনের কঠিন বাস্তবতার ভিড়ে সম্পর্কটাও হারিয়ে গিয়েছে। এখন কেবল সংসারের প্রয়োজনে এক সঙ্গে থাকা দুজনের। এর বেশি কিছুই না! অনেক সময় এর পরিণতি হিসেবে সম্পর্ক ভেঙ্গে যায় অথবা পরকীয়া করার প্রবণতাও দেখা দেয়। তাই দাম্পত্য সম্পর্কের হারিয়ে যাওয়া আকর্ষণ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা উচিৎ দুজনেরই।চলুন জেনে নিই দাম্পত্যের মাধুর্য আনার চাবিকাঠি-

সঙ্গীর জন্য সাজুন
দাম্পত্য সম্পর্কের প্রথম দিকের দিনগুলোর মত আপনার ভালোবাসার মানুষটির জন্য সময় নিয়ে নিজের যত্ন নিন। সঙ্গীর জন্য নিজেকে সাজিয়ে তুলুন। নিজের পছন্দের সুগন্ধি ব্যবহার করুন। নিয়মিত পরিচ্ছন্ন ও গোছানো থাকার চেষ্টা করুন। সঙ্গীর সঙ্গে বাইরে বেড়াতে গেলে রুচিশীল পোশাক পড়ে নিজেকে পরিপাটি করে সাজিয়ে নিন। নিজেকে সবসময় পরিপাটি করে সাজিয়ে রাখলে এবং সঙ্গীর বন্ধুরা আপনার প্রশংসা করলে স্বাভাবিক ভাবেই আপনার সঙ্গী আপনার প্রতি আকর্ষনবোধ করবে।

যৌন জীবনের প্রতি মনোযোগী হয়ে উঠুন
দাম্পত্য সম্পর্কের আকর্ষন ধরে রাখার জন্য যৌন জীবনের প্রতি মনযোগী হওয়া জরুরী। দাম্পত্য সম্পর্ক পুরোনো হয়ে গেলে কিংবা সন্তান জন্মদানের পর অধিকাংশ মানুষই যৌন জীবনকে তেমন একটা গুরুত্ব দেয় না। কিন্তু সম্পর্কের উষ্ণতা ধরে রাখতে ও দুজনের প্রতি দুজনের আকর্ষণ বজায় রাখা জন্য সুখী যৌন জীবন অত্যন্ত জরুরী।

বেড়াতে যান শুধু দুজন মিলে
প্রেম করার সময় কিংবা বিয়ে পর প্রথম দিনগুলোতে তো প্রায়ই বেড়াতে যেতেন। দাম্পত্য জীবন অনেকগুলো বছর পেরিয়ে গেছে বলে কি বেড়াতে যাবেন না? দাম্পত্যের আকর্ষন বাড়ানোর জন্য দুজনের মিলে সুন্দর কোনো জায়গা থেকে বেড়িয়ে আসুন। সম্ভব হলে নিজেদের মধুচন্দ্রিমার স্থানটিতেই বেড়াতে চলে যান। তাহলে পুরোনো স্মৃতি মনে পড়ে সম্পর্কের উষ্ণতা ফিরে আসবে আবার। দাম্পত্যের আকর্ষন বাড়ানোর উদ্দ্যেশ্যে বেড়াতে গেলে পরিবার কিংবা সন্তানদেরকে না নেয়াই দুজনের সম্পর্কের জন্য ভাল।

শুধু দুজনের জন্য সময় রাখুন
সারাদিন পরিবার, কর্মস্থল ও সন্তানকে সময় দেওয়ার পর সঙ্গীকে দেওয়ার মত সময় থাকে না অধিকাংশ মানুষের। কিন্তু পরিবার ও সন্তানকে সময় দেওয়ার পাশাপাশি সঙ্গীর জন্য আলাদা কিছু সময় রাখুন। ঘরের কাজ করার সময়, ঘুমের সময়, রান্না করার সময় কিংবা সকালে পার্কে হাঁটার সময় সঙ্গীকে আলাদা ভাবে সময় দিন ও মন খুলে গল্প করুন।

উপহার দিয়ে চমকে দিন
দাম্পত্য সম্পর্ক সুন্দর রাখতে ও সম্পর্কের একঘেয়েমী দূর জন্য সঙ্গীকে মাঝে মাঝে চমকে দিন সারপ্রাইজ দিয়ে। সঙ্গীর জন্মদিনে বা বিবাহবার্ষিকীতে সারপ্রাইজ পার্টি দিয়ে চমকে দিয়ে পারেন তাকে। মাঝে মাঝে সঙ্গীর পছন্দের কিছু উপহার দিয়েও মন জয় করে নিতে পারেন তার। তাহলে দাম্পত্যের আকর্ষণ কিছুটা হলেও ফিরে পাবেন আবার।

সূত্র: breakbd.com
comments | | Read More...

যৌন মিলন, কিছু কষ্টদায়ক সমস্যার সমাধান

মেয়েরা স্বাভাবিক ভাবেই অনেক লাজুক। তাদের ছোট ছোট সমস্যাই শেয়ার করতে পারে না আর যৌন সমস্যা হলে তো কথাই নেই। মেয়েদের এমন কিছু কষ্টের কথা নিয়েই সাজিয়েছি আজকের ছোট প্রবন্ধ।

বিবাহিত মহিলা ও যারা বিয়ের পায়তারা করছেন তাদের জন্য এটি বিশেষ উপকারী হবে বলেই মনে করছি। কিছু গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার ব্যাপারে আলোকপাত করা হয়েছে, সমস্যা গুলোকে হালকা দৃষ্টিতে না দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়াই সমীচীন হবে।
০১. যৌন চাহিদা হওয়ার পরেও লুব্রিকেশনের অভাবঃ
কারণঃ
অনেকেরই যৌন চাহিদা হওয়া সত্ত্বেও যৌন স্থান ভিজে না। পানিশূন্যতা, বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ( কাউন্টার এন্টিহিস্টামিন), নার্সিং, মেনোপজের সময় হরমোন লেভেল পরিবর্তন এর উল্লেখযোগ্য কারণ।
চিকিৎসাঃ
পিচ্ছিল কারক পদার্থ ব্যবহার করতে হবে, পানি জাতীয় ব্যবহার করলে ভালো, কারণ কনডম এর জন্যে নিরাপদ। কিন্তু কেউ যদি তৈলাক্ত পিচ্ছিল কারক ব্যবহার করে তখন এটি কনডমের স্থিতিস্থাপকতা নষ্ট করে দিতে পারে। রঙ দেয়া, সেন্ট দেয়া ও ফ্লেভার জাতীয় লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করা যাবে না। কারণ তা ইস্ট ইনফেকশন করে শুকনা ভাব আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। অনেকের প্রশ্ন হতে পারে, ইস্ট ইনফেকশন কি তার পুরুষ সঙ্গীর শরীরেও ইনফেকশন করতে পারে? উত্তর হবে হ্যাঁ । এটি অনেক কমই হয়, কিন্তু হয়। একই রকম লক্ষণ যেমন- লাল হয়ে যাওয়া, চুলকানি, যৌনমিলনের পর অস্বাভাবিক নিঃসরণ হতে পারে। কোন পুরুষের যদি ডায়াবেটিস থাকে, এন্টিবায়োটিক নিতে থাকে অথবা সে তার যদি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কোন কারণে কমে যায় তখন তার আক্রান্ত হওয়ার ঝুকি বেড়ে যায়। খৎনা করা না থাকলেও এর ঝুকি বেড়ে যায়। কারণ এর উপরের চামড়া ভেজা ভেজা অবস্থার সৃষ্টি করে যা ইস্ট বেড়ে ওঠায় সাহায্য করে।
০২. মিশনারি (পুরুষ উপরে থাকা ) পজিশনে যৌন মিলনে সমস্যা হওয়াঃ
শতকরা ২০ ভাগ মহিলার জরায়ু নরমালের উল্টো দিকে থাকতে পারে অর্থাৎ পেটের দিকে না থকে শিরদাঁড়ার দিকে থাকেতে পারে। এ ক্ষেত্রে টেম্পুন বা ডায়াফ্রাম ব্যবহার করা কষ্টকর হয় কারণ তা জরায়ুর ভেতর পর্যন্ত চলে যেতে পারে। তাই নারী উপরে থেকে মিলনে কষ্ট লাঘব হবে। আর মা হতে চাইলে যৌন মিলনের পর পেটের উপর অর্থাৎ উপুড় হয়ে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকলে তা স্পার্ম কে সাঁতরে জরায়ুমুখে যেতে সাহায্য করবে।
০৩. যৌন চাহিদা কমে যাওয়াঃ
মেনোপজের কাছাকাছি বয়সের মহিলাদের এটি একটি উল্লেখযোগ্য সমস্যা। মেনোপজের আগে ইস্ট্রোজেন হরমোন লেভেল কমে যায়। লুব্রিকেশনের অভাবে ব্যথা ও ব্যথা থেকে আগ্রহ কমে যাওয়া এর প্রধান কারণ।
চিকিৎসাঃ হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি, ইস্ট্রোজেন ক্রিম ও সাপোজিটরি আর লুব্রিকেন্ট (পিচ্ছিল কারক ) কাজ দিতে পারে।
০৪. যৌন মিলনের পর প্রস্রাবে জ্বালাপোড়াঃ
কারণঃ
চাপে ঘষা লেগে মূত্রনালিতে ইরিটেশন হলে জ্বালাপোড়া হতে পারে। দীর্ঘক্ষণ মিলন আর যৌন স্থানের শুষ্ক ভাবও এর গুরুত্বপূর্ণ কারণ। প্রস্রাব নালীতে ইনফেকশন হলেও এই সমস্যা হতে পারে। যদি প্রস্রাব যৌন স্থানে লাগার পর জ্বালাপোড়া হয় তবে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। মুত্রথলি খালি হওয়ার সাথে সাথে ব্যথা বাড়তে থাকলে মুত্রথলি ইনফেকশনের ব্যাপারেই সন্দেহ বেড়ে যায়।
চিকিৎসাঃ
যৌন মিলনের পর বাথ টাব ভর্তি কুসুম গরম পানিতে বসে থাকলে ব্যথা কমতে পারে। তাছাড়া পিচ্ছিল কারক ব্যবহারেও মাঝে মাঝে উপকার পাওয়া যেতে পারে। যদি এসব কিছুতেই লাভ না হয় তবে ডাক্তার দেখাতে হবে কারণ তখন কারণটা ইনফেকশনের দিকেই বেশি ইঙ্গিত করে। পানি বেশি পান করলে পিচ্ছিলতা ও ইনফেকশন থেকে মুক্তি দুইটা জিনিসেই উপকার পাওয়া যায়।
০৫. যৌনমিলনের পর তীব্র দুর্গন্ধ ও চুলকানিঃ
কারণঃ
ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে এমন হতে পারে। নতুন বা একাধিক মিলন সঙ্গীর কারণে এমন হতে পারে। যৌন স্থানের ভেতরে কিছু দেয়া থাকলে ( যেমন চিকিৎসার জন্যে বা রোগ নির্ণয়ে কোন কিছু ব্যবহার করা হলে ) তা থেকেও হতে পারে। এর পাশাপাশি ইনফেকশনের আরও কিছু লক্ষণ থাকতে পারে যেমন অস্বাভাবিক নিঃসরণ, জ্বালাপোড়া। চিকিৎসা না করা হলে ডেট এর আগেই ডেলিভারি হওয়া, স্বল্প ওজনের বাচ্চা জন্ম নিতে পারে।
চিকিৎসাঃ
এন্টিবায়োটিক, যেমন- মেট্রোনিডাজল বা ক্লিন্ডামাইসিন ব্যবহারে লাভ হতে পারে। যাদের বাচ্চার জন্মকালীন ওজন কম বা যাদের ডেট এর পূর্বেই সন্তান জন্ম নিয়েছে তাদের স্ক্রিনিং করাতে হবে।
শেষ করার আগে একটা ছোট্ট টিপস দিতে চাই। অনেকেই মনে করেন পিল খেলে মোটা হওয়ার ঝুকি বেড়ে যায়। দীর্ঘ দিন ব্যবহারের জন্যে পিলের উপরে কিছু নেই। আর নতুন বাজারে আসা পিল গুলোর সাইড ইফেক্ট-ও কম। কনডম ছিড়ে গিয়ে লিক করতে পারে। সেইফ পিরিয়ড মেনে যৌন মিলন শুধু রেগুলার পিরিয়ড হওয়া মেয়েদের জন্যেই কার্যকরী। তাও সেইফ থেকে ঠিক আনসেইফ পিরিয়ড হওয়ার সময়-ও ভুলবশত গর্ভধারণ হয়ে যেতে পারে কারণ এতটা হিসেব মেনে সেইফ আনসেইফ বের করা সম্ভব হয় না আর জরায়ুর ভেতরে জন্মনিয়ন্ত্রক ডিভাইস রেখে দিলে তার সাইড ইফেক্ট এর তো শেষ নেই। তাই সিদ্ধান্ত আপনার। নিরাপদ থাকুন।


সূত্র: breakbd.com
comments | | Read More...

বিবাহপুর্ব এবং পরবর্তী কিছু যৌন ভয়

১. ভয় এবং সেক্স পরষ্পরের শত্রু। পুরুষ কিংবা নারীর মনে ভয় থাকলে তারাযৌন কাজ করার চিন্তা পর্যন্ত করবে না। আপনি কি রাস্তায় কাউকে সেক্স করতে দেখেছেন? না করার পেছনে প্রধান কারন লজ্জা নয় – ভয়। ভয়ে পুরুষের লিঙ্গ পর্যন্ত খাড়া হয়না। বিয়ের আগে যদি কোন কারনে স্বল্প সময়ে স্থলন সমস্যা দেখেন তা হয়তো আপনার ভয় জনিত কারন।
২. বউ এবং প্রেমিকা এক বিষয় নয়। কেউ একজন যখন আপনার ঘরে আসবে তখন আপনি প্রানপনে চেষ্টা করবেন তাকে সুখী করার, এবং সেই আত্মবিশ্বাস আপনাকে লম্বা সময় মিলন করা শিখাবে। যৌন কাজ একপ্রকার খেলা। এটা শিখতে হয় – এটার প্রেকটিস লাগে। আপনি যখন আপনার বউকে ঘরে আনবেন তখন তার শরীর তার চাওয়া আপনার অজানা থাকবে – কিন্তু যতই দিন যাবে, আপনি জানবেন কিভাবে সে সুখ পায় – কোন এ্যাঙ্গেলে তাকে কাবু করা যায়। এবং সেও আপনার টার্নিং পয়েন্ট বুঝবে এবং দুইজনের সমন্বয়ে লম্বা সময়ের সেক্স হবে। প্রথম দিকে আপনার দ্রুত বীর্যপাত হতে পারে – কিন্তু এটা খুবই স্বাভাবিক। তাকেও এই বিষয়গুলো বুঝিয়ে বলতে হবে।
৩. একজন নারী চাইলে স্বামীকে বাঘ বানাতে পারে – চাইলে ছাগল বানাতে পারে। তবে বাঘ বানালেই সে লাভাবান হবে।
স্বামীকে যদি বলে “এভাবে করো – তোমার এই স্টাইলটা ভালো লাগছে / তুমি খুব ভালো আনন্দ দিতে পারো / (এমনকি কোন কথা না বলে তৃপ্তির দৃষ্টিতে তার দিকে তাকালেও সে বুঝবে তার কার্যক্রমআপনি উপভোগ করছেন)” তাহলে সে মৃত হলেও লাফিয়ে উঠবে। কারন স্ত্রীর দেয়াসামান্য আত্মবিশ্বাস তার কছে মহাশক্তি রূপে আবির্ভূত হবে।
আর সেই নারীই যদি পুরুষকে বলে “তুমি পারছো না” তবেই শেষ!!! যত্ত শক্তিশালীসুপুরুষ-ই হোক সে রনে ভঙ্গ দেবে।
অতএব মনে রাখবেন আপনি যদি ভাবেন স্বামীকে হারাবেন – তবে নিজেই ঠকবেন।

সূত্র: breakbd.com
comments | | Read More...

জেনে নিন কোন রাশি যৌনতায় সেরা

মানুষের জীবনের পরম আকাঙ্খিত ব্যাপারটি হচ্ছে যৌনতা। আবার মানুষ সবচেয়ে বেশি লুকোছাপা করে এই যৌনতা নিয়েই। যৌনতায় সমান যোগ্যতাও হয়না সবার। আসুন জেনে নেই রাশি ভেদে যৌন সক্ষমতায় কারা সেরা-

মেষ (২১ মার্চ-২১ এপ্রিল)
যৌনতা, যুদ্ধ এবং শক্তির দেবতা হলো মঙ্গল। আর এ সবকিছুই ফুটে ওঠে মেষ রাশির জাতক-জাতিকার জীবনে। দৈহিক প্রেমের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগে পারঙ্গম এই মানুষেরা দুর্দান্ত প্রেমিক হিসেবে পরিচিত। কিন্তু বেস্ট পারফরম্যান্সের জন্য আপনাকে ব্যাটবল চালাতে হবে সমানতালে। আর খেলার মাঠের কাটাছেঁড়া, রক্ত বা অন্য কোনো লাভ বাইট দেহজ প্রেমকে যেন করে তোলে আরো আকর্ষণীয়।

বৃষ (২১ এপ্রিল-২১ মে)
ভালোবাসার দেবী ভেনাসের প্রত্যক্ষ প্রভাব রয়েছে এই রাশির জাতক জাতিকার ওপর। এরা দৈহিক ভালোবাসার ক্ষেত্রে একই সঙ্গে খুব সংবেদনশীল এবং শক্তিমত্তা প্রয়োগে পারঙ্গম। যৌনতার স্ট্যামিনা বা শক্তির দিক থেকে এদের জুড়ি মেলা ভার। ক্লান্তিবিহীন, সদাপ্রস্তত এবং ছন্দময় দৈহিক সম্পর্কের গ্যারান্টি দিয়ে থাকে এই রাশির মানুষেরা।

মিথুন (২২ মে-২১ জুন)
বুধ গ্রহের প্রভাবে সদাসর্তক মনোভাব, মিষ্টভাষী, আদুরে আর খুনসুটিপূর্ণ ব্যক্তিত্ব নিয়ে এই রাশির জাতক-জাতিকা রয়েছে মহাসুখে। শুদ্ধ ‘কথা’ দিয়েই অপর মানুষদের বশ করতে এদর জুড়ি নেই। যৌনতার বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্টাল দিক এই রাশির মানুষদের টানে। আপনার মিথুন প্রেমিক/প্রেমিকাকে আপনি শয্যায় পেতে পারেন ঠিক যেভাবে আপনি চান।

কর্কট (২২ জুন-২২ জুলাই)
দৈহিক প্রেমের ক্ষেত্রে কর্কট রাশির জাতক জাতিকার সাহচর্য রোলার কোস্টার রাইডের মতো। এই চরম আনন্দের শিখরে তো এই শান্তশিষ্ট, ভাজা মাছটি উল্টে খেতে না জানার মতো হাবভাব। তাই এদের সঙ্গে কোনো কিছু করার সময় সারপ্রাইজড হওয়ার প্রস্তুতি থাকতে হবে পুরোদস্তুর।

সিংহ (২৩ জুলাই-২৩ আগস্ট)
প্রেমিক-প্রেমিকা হিসেবে বিখ্যাত সিংহ দৈহিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও নিজরে সুনামের সঙ্গে অবিচার করেনি। যে কোনো প্রগাঢ় সম্পর্কের ক্ষেত্রেই এদের ইতিবাচক মনোভাব, হাস্যরস আর শরীরিক দক্ষতা তুলনাহীন। সিংহ রাশির কাউকে ভালবাসার মানুষ হিসেবে পাওয়া সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার।

কন্যা (২৪ আগস্ট-২৩ সেপ্টেম্বর)
নিখাদ ভালবাসা আর দুর্দান্ত সেক্সের অসাধারণ প্যাকেজ আপনাকে উপহার দিতে পারেন কন্যা, পুরুষ বা মহিলা। কান, ঠোঁট বা স্তনের সংবেদনশীলতা এ রাশির মানুষের অতিমাত্রায় বেশি আর দেহজ ভালবাসার ক্ষেত্রে কোমলতা ও রক্ষতার অদ্ভুত এক সমন্বয় এদের পছন্দ।

তুলা (২৪ সেপ্টেম্বর-২৩ অক্টোবর)
দিনে বন্ধু আর রাত্রিতে প্রেমিক এই প্রবাদের সবচেয়ে বড় উদারহণ হলো তুলা রাশির ছেলে-মেয়েরা। ভেনাসের প্রভাবে এরা সাধারণত সৌন্দর্য, রহস্যময়তা আর দৈহিক আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। সঙ্গী-সঙ্গিনীদের শুধু একটু হাসি, উদ্দেশ্য পূর্ণ চাহনি, গাঢ় আলিঙ্গন বা হাতে মৃদু স্পর্শের মাধ্যমেই পটিয়ে ফেলতে পারে তুলা পুরুষ বা মহিলারা। দেহজ প্রেমের ক্ষেত্রে তারা আপনাকে বশে আনতে চাইবে না বরং আপনাকে দেবে ভালবাসার সুখ সাগরে অবাধ স্বাধীনতা। এভাবেই তুলারা অর্জন করতে পারবে আপনার বিশ্বাস আর দৈহিক সম্পর্কের চরম উৎকৃষ্টতা।

বৃশ্চিক (২৪ অক্টোবর-২২ নভেম্বর)
প্রতিটি বৃশ্চিকের মধ্যেই যেন লুকিয়ে আছে একেকটি অ্যাটম বোমার শক্তি। প্রবল আবেগ আর উন্নাসিকতার জন্য বৃশ্চিক জাতক-জাতিকা বেশ বিখ্যাত বা কুখ্যাত। যৌন জীবনে তা অনুদিত হয় উত্তেজনায় ভরপুর যন্ত্রণা আর উচ্ছ্বাসের সংমিশ্রণে এক আকর্ষণীয় মেলোড্রামায়। একজন বৃশ্চিকের দৃষ্টি ঠিক একটি ঈগলের মতো, যা সবকিছু ভেদ করে আপনার কিছু বোঝার আগেই করে ফেলবে বশীভূত।

ধনু (২৩ নভেম্বর – ২১ ডিসেম্বর)
ধনু রাশির কাউকে পার্টনার হিসেবে পাওয়াটা বেশ মজার অভিজ্ঞতার সূচনা করবে, এটি বলার অপেক্ষা রাখে না। কারণ সাধারণ বেশ অ্যাথলেটিক গড়নের ধনুরা বেশি রসবোধসম্পন্ন, বর্হিমূর্খী এনাজের্টিক এবং আশাবাদী। আর এসব গুন আপনার কাছে অন্তরঙ্গ মুহূর্তে তারা প্রকাশ করবে ঠাট্টা-তামাশা, মজার সব সেক্সুয়াল অ্যাক্ট আর বিভিন্ন ফোর প্লের মাধ্যমে। এহেন আকষর্ণীয় সঙ্গী-সঙ্গিনী থেকে কীভাবে দূরে থাকা সম্ভব?

মকর (২২ ডিসেম্বর – ২০ জানুয়ারি)
মকর রাশির জাতক-জাতিকা কোনো কিছু করার আগে অনেক ভেবেচিন্তে পা ফেলে, আর কেস যদি হয় যৌনতাভিষয়ক, তাহলে, তো কথাই নেই। হয়তো শুরুর সময়টাতে আপনাকেই নিতে হবে কিছু আগ্রহী ভূমিকা কিন্তু এরপর শুধু ফান-রাইড, কারণ আপনার মকর কাউন্টারপার্ট আপনার দৈহিক সুখ স্বাচ্ছন্দ্রের প্রতি থাকবে অতিমাত্রায় মনোযাগী। হয়তো প্রেমিক হিসেবে সিংহ বা বৃশ্চিকের মতো উত্তেজনাকর তারা নয়, কিন্তু মকর প্রেমিকের মতো নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বাসী অপর কাউকে খুঁজে পাওয়াটা হবে বেশ দুষ্কর।

কুম্ভ (২১ জানুয়ারি – ১৮ ফেব্রুয়ারি)
ইউরেনাস প্রভাবম্বিত কুম্ভ রাশির ছেলেমেয়েরা প্রখর বুদ্ধিমত্তার অধিকারী এক নিজেদের প্রেমিক-প্রেমিকার প্রতি বিশেষ যত্নবান। আপনি যেভাবে এদের পেতে চান ঠিক সেভাবেই এরা আপনার কাছে ধরা দেবে। এথন আপনার ওপরই নির্ভর করছে এদের বোরিং পার্টনার হিসেবে দূরে ঠেলে দেয়া বা বিশ্বস্ত সঙ্গী হিসেবে কাছে টেনে নেয়া।

মীন (১৯ ফেব্রুয়ারি – ২০ মার্চ)
চাতুর্যপূর্ণ কথা, আপাদমস্তক, দৈহিক আর্কষণে পরিপূর্ণ এবং আবেগ দৃষ্টি দিয়ে বন্দ করার চেষ্টা; এ সবকিছুই আপনি পাবেন দেহজ প্রেমের আরেক হান্টার মীন রাশির মানুষের কাছে। তার এতটুকু স্পর্শেও আপনি উত্তেজনায় অস্থির হয়ে উঠতে পারেন অথবা তার প্রগাঢ় আলিঙ্গণ আপনাকে নিয়ে যেতে পারে অন্য জগতে। মীনের সঙ্গে ভালবাসার প্রতিটি মুহূর্তের যেন সুরের মূর্ছনা।

সূত্র: breakbd.com
comments | | Read More...

প্রথম যৌন মিলনের আগে সময় নিচ্ছে তরুণীরা

পাঁচ বছর আগেও বলা হতো ১৪ থেকে ১৭ বছরের জার্মান তরুণ-তরুণীরা নাকি আগে ভাগেই চলে যায় বিছানায়, বন্ধুর সঙ্গে শারীরিক মিলনে৷ ফলে এ নিয়ে বেশ চিন্তায় ছিলেন সমাজকর্মীরা৷
কারণ এর ফলে অপ্রাপ্তবয়স্ক তরুণীরা অনাকাঙ্খিতভাবে গর্ভবতী হয়ে পড়ে এবং বেশিরভাগ সময়ে গর্ভপাতের ঘটনা ঘটতো৷

কিন্তু হাল সময়ে করা এক জরিপে দেখা গেলো পাঁচ বছর আগের তুলনায় এই অবস্থার পরিবর্তন হতে শুরু করেছে৷ অপ্রাপ্তবয়স্ক বিশেষ করে ১৪ থেকে ১৭ বছর বয়সিদের অনেকেই এখন অপেক্ষা করছে, বিছানায় যাবার আগে তারা আগেপিছে অনেক কিছু ভেবে নিচ্ছে৷

নতুন এই গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, আগে ১৪ বছর বয়সি মেয়েদের মধ্যে শতকরা ১২ ভাগ বন্ধুর সঙ্গে যৌন মিলনের অভিজ্ঞতা গ্রহণ করতো৷ এখন সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে শতকরা সাতভাগে৷ আর পাঁচ বছর আগে ছেলেদের মধ্যে এই হার ছিল ১০ ভাগ৷ এখন সেই হার কমে দাঁড়িয়েছে শতকরা চার ভাগে৷

অন্যদিকে, ১৭ বছর বয়সি মেয়েদের মধ্যে বিশেষ অভিজ্ঞতা নেবার এই হার কমলেও ছেলেদের ক্ষেত্রে তেমন কমেনি বলেই প্রকাশ৷

ঐ গবেষণায় করা এক প্রশ্নের উত্তরে এই টিনএজার গ্রুপের সদস্যরা জানিয়েছেন, তারা আসলে মিস্টার রাইট অথবা মিসেস রাইটকেই খুঁজছেন৷ এ কাজে তারা বেশ খানিকটা সময় নিচ্ছেন৷ এক্ষেত্রে সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরে রাখার চিন্তাটাই তাদের মাথায় খেলছে৷ পছন্দের পাত্র বা পাত্রীকে খুঁজে বের করা তো সহজ নয়!- বলছেন তারা৷ জার্মান সরকারের স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের পরিচালক এলিজাবেথ পট এমনটাই জানাচ্ছেন৷ তিনি বলছেন, টিনএজ গ্রুপের মানসিকতার এই পরিবর্তনের পেছনে অন্যতম কারণ হিসাবে কাজ করেছে যৌন শিক্ষা৷

সূত্র: breakbd.com
comments | | Read More...

যৌন সঙ্গম নিয়ে অল্প কিছু কথা! (ভিডিওসহ)

মহিলাদের বয়স যখন তিরিশের ঘরে এবং চল্লিশের ঘরের প্রথম দিকে থাকে তখন তাঁরা কম বয়সের তুলনায় যৌন সঙ্গম বেশি উপভোগ করেন। কারণ, তাঁদের মনে আশঙ্কা থাকে যৌনজীবন শেষ হওয়ার। এমনটাই জানা যাচ্ছে সাম্প্রতিক এক সমীক্ষা থেকে। সমীক্ষা থেকে জানা যাচ্ছে, মহিলাদের বয়স যখন তিরিশের ঘরে l এবং চল্লিশের ঘরের প্রথম দিকে থাকে তখন তাঁদের যৌনক্ষমতা ক্রমশ কমতে থাকে। আর সেই কারণেই তাঁদের মনে ভয় আসতে থাকে। তখনই তাঁরা যৌন সঙ্গম বেশি করতে থাকেন। তাঁরা এই বয়সে যৌন সঙ্গম নিয়ে অনেক কল্পনা করতে থাকেন। আর সেই কারনেই জন্ম নেয় ‘কাউগার’ সিমটম- একজন মহিলা তখন তাঁর থেকে কমবয়সী সহযোগীর খোঁজ করেন। প্রায় ৯০০ জন মহিলার ওপর সমীক্ষা চালিয়ে এই সিদ্ধান্তে এসছে হেলথ জার্ণালমেয়েদের যৌনতা নিয়ে কিছু তথ্যছেলেরা মেয়েদের যৌনতা নিয়ে খুব কম তথ্য জানে। চটিগুলো পড়লে সেটা বোঝা যায়। চটি লেখক এবং মন্তব্যকারীদের অনেকে মেয়েদের সাথে যৌনকর্ম দুরের কথা কোনদিন মেয়েদের বাস্তব যৌনাংগ দেখেছে কি না সন্দেহ। মেয়েদের সমন্ধে ওনাদের জ্ঞান মনে হয় পর্ন আর ইন্টারনেটের চটি থেকে নেওয়া। যাহোক সবার সুবিধার্থে কিছু তথ্য দিলামঃ ১. মেয়েদের যৌন চাহিদা ছেলেদের ৪ ভাগের এক ভাগ। কিশোরী এবং টিনেজার মেয়েদের যৌন ইচ্ছা সবচেয়ে বেশী। ০১। ১৮ বছরের পর থেকে মেয়েদের যৌন চাহিদা কমতে থাকে, ৩০ এর পরে ভালই কমে যায়। ২. ২৫ এর উর্দ্ধ মেয়েরা স্বামীর প্রয়োজনে যৌনকর্ম করে ঠিকই কিন্তু একজন মেয়ে মাসের পর মাস যৌনকর্ম না করে থাকতে পারে কোন সমস্যা ছাড়া। ৩. মেয়েরা রোমান্টিক কাজকর্ম যৌনকর্ম চেয়ে অনেক বেশী পছন্দ করে। বেশীরভাগ মেয়ে গল্পগুজব হৈ হুল্লোর করে যৌনকর্মর চেয়ে বেশী মজা পায়। ৪. মেয়েরা অর্গ্যাজম করে ভগাংকুরের মাধ্যমে, মেয়েদের অর্গ্যাজমে কোন বীর্য বের হয় না। তবে পেটে প্রস্রাব থাকলে উত্তেজনায় বের হয়ে যেতে পারে। ৫. ভগাংকুরের মাধ্যমে অর্গ্যাজমের জন্য যৌনকর্মের কোন দরকার নেই। ৬. যৌনি পথে পুরুষ লিংজ্ঞ ঢুকালে মেয়েরা মজা পায় ঠিকই কিন্তু অর্গ্যাজম হওয়ার সম্ভাবনা ১% এর চেয়েও কম। ৭. লম্বা লিংজ্ঞের চেয়ে মোটা লিংজ্ঞে মজা বেশী। লম্বা লিংজ্ঞে বেশীরভাগ মেয়ে ব্যাথা পায়। ৮. মেয়েদের যৌনিতে সামান্য ভেতরেই খাজ কাটা গ্রুভ থাকে, লিংজ্ঞের নাড়াচাড়ায় ঐসব খাজ থেকে মজা তৈরী হয়। এজন্য বড় লিংজ্ঞের দরকার হয় না।
ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন

সূত্র: breakbd.com
comments | | Read More...

জীবনকে সহজ করতে ইসলামী ব্যাংকের বিকল্প সেবা

Islami Bank Bangladesh Limited

গ্রাহকদের আধুনিক সেবা ও সুবিধা দিতে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড চালু করেছে প্রযুক্তি নির্ভর বেশ কিছু বিকল্প সেবা প্রোডাক্ট। এসব সেবা ও প্রোডাক্টের মাধ্যমে গ্রাহকেরা ২৪ ঘণ্টা সহজেই হাতের নাগালে পাচ্ছেন প্রয়োজনীয় ব্যাংক সেবা। জীবনকে আরো সহজ ও গতিশীল করতে এসব সেবা প্রেডাক্টগুলোর গ্রাহক প্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলেছে।
পণ্য কেনাকাটায় ঝক্কি-ঝামেলা এড়াতে অনেকেই ভিড় জমান সুপারশপে। এখানে একসাথে প্রয়োজনীয় সবকিছু পাওয়া যায় তাই। আবার অনেকে পছন্দের জিনিসটি খুঁজে পেতে নির্ভর করেন অনলাইন শপগুলোর ওপর। আমাদের দেশে অনলাইন শপিং ব্যবস্থা নতুন হলেও খুব দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করছে। আধুনিক রুচির এসব গ্রাহকদের জন্য ইসলামী ব্যাংক চালু করেছে ইসলামী শরিয়াহসম্মত ক্রেডিট কার্ড ‘খিদমাহ’। সীমিত আয়ের লোকদের জন্য বিনিয়োগ সুবিধা বৃদ্ধি, জনগণের দৈনন্দিন চাহিদা পূরণ ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়ের ল্েযই ইসলামী ব্যাংকের এ উদ্যোগ। নগদ টাকার বিকল্প এ কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহক ‘ভিসা’ চিহ্নিত সব পয়েন্ট অব সেলস ও বিপণিতে পণ্য ক্রয় করতে পারবেন। অনলাইনে কেনাকাটা ছাড়াও গ্রাহক এ কার্ডের মাধ্যমে ইউটিলিটি বিল পরিশোধ, হোটেল ও হাসপাতাল বুকিং, বাস, ট্রেন ও বিমানের টিকিট ক্রয় করতে পারবেন। সিলভার, গোল্ড ও প্লাটিনাম-এ তিন শ্রেণীর খিদমাহ কার্ড দেশব্যাপী ইসলামী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় পাওয়া যায়।
নগদ টাকা পরিবহনের ঝুঁকি কমাতে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের জন্য চালু করেছে ভিসা ডেবিট কার্ড। ব্যাংকের গ্রাহকেরা এ কার্ডের মাধ্যমে দেশব্যাপী বিস্তৃত ঠওঝঅ ও ঙগঘওইটঝ নেটওয়ার্কের এটিএম বুথ থেকে যেকোনো সময় সহজেই নগদ সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা উত্তোলনসহ অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স জানা, মিনি স্টেটমেন্ট গ্রহণ, ফান্ড ট্রান্সফার, মোবাইল টপ-আপ এবং পিন পরিবর্তন করতে পারবেন। গ্রাহকেরা এ কার্ডের মাধ্যমে কেনাকাটা ছাড়াও ইউটিলিটি বিল পরিশোধ, হোটেল ও হাসপাতাল বুকিং, বাস, ট্রেন ও বিমানের টিকিট ক্রয় করতে পারবেন। দেশব্যাপী ইসলামী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় চলতি ও সঞ্চয়ী অ্যাকাউন্ট খুললেই গ্রাহককে এক বছরের জন্য বিনামূল্যে এ কার্ড প্রদান করা হয়।
গ্রাহকের হাতের নাগালে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিতে ইসলামী ব্যাংক চালু করেছে ইন্টারনেট ব্যাংকিং। এ সেবার মাধ্যমে ব্যাংকের গ্রাহক বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো সময় ব্যাংকিং সেবা পেতে পারেন। ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে গ্রাহক তাৎণিক ফান্ড ট্রান্সফার, অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স জানা, স্টেটমেন্ট গ্রহণসহ হিসাবসংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য জানতে পারবেন। সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত এ ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রাহক প্রতিদিন সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত স্থানান্তরসহ, মোবাইল রিচার্জ, অনলাইনে ইউটিলিটি বিল প্রদান ও ব্যাংকের কিয়ারিংসংক্রান্ত তথ্য জানতে পারবেন। ব্যাংকের যেকোনো শাখায় বা ইসলামী ব্যাংকের পোর্টালের মাধ্যমে গ্রাহকেরা ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন।
এ ছাড়াও ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের জন্য চালু করেছে প্রযুক্তিনির্ভর এসএমএস ব্যাংকিং, ফোন ব্যাংকিং, ইসলামী ব্যাংক কল সেন্টারসহ দ্রুত প্রসারমান মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘ইসলামী ব্যাংক এমক্যাশ’। এসব সুবিধা ও প্রোডাক্টগুলোর মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংক সব শ্রেণী ও পেশার মানুষের জন্য ব্যাংকিং সেবা সহজলভ্য ও আকর্ষণীয় করে তুলেছে ফলে বাংলাদেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ত্বরান্বিত হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি।

সূত্র . dailynayadiganta.com
comments | | Read More...

গতি বাড়লো কিউবির প্যাকেজে

Qubee bangladesh
গ্রাহকদের ‘আরও দ্রুত গতির’ ইন্টারনেট সেবা দিতে পুরোনো প্যাকেজের পুনর্বিন্যাস ও নতুন প্যাকেজ চালুর ঘোষণা দিয়েছে ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান কিউবি। এর আওতায় নতুন গ্রাহকদের স্কাই প্যাকেজের ফেয়ার ইউসেজ পলিসির লিমিটও বাড়িয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।


অজের ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড বাংলাদেশ লি. বাংলাদেশে কিউবি ব্র্যান্ড নামে ইন্টারনেট সেবা দিয়ে থাকে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, পুরানো গ্রাহকরা এখন থেকে বাড়তি খরচ ছাড়াই ১ এমবিপিএস বা দ্বিগুণ গতির ইন্টারনেট সেবা পাবেন।

এ ব্যাপারে কিউবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল হায়দার বলেন, ‘‘আমাদের বিদ্যমান সব গ্রাহক ইন্টারনেট ব্যবহারে এখন কোনো অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই এক এমবিপিএস বা তার চেয়ে বেশি গতি পাবেন।”

গ্রাহকের ‘চাহিদা অনুযায়ী’ কিউবি নতুন প্যাকেজ এনেছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। তবে নতুন প্যাকেজের বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করেনি প্রতিষ্ঠানটি।

‘প্রি-পে গ্রাহকরা ৫০ টাকা, ১০০ টাকা, ৩০০ টাকা ও ৫০০ টাকার কার্ড কিনলে অধিক উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পাবেন’--জানিয়েছে কিউবি।

ইন্টারনেট প্যাকেজসংশ্লিষ্ট সমস্যায় গ্রাহক সহায়তা নিতে পারবেন কিউবির গ্রাহক সেবা হটলাইনে (১৬২৯৬) ফোন করে।

সূত্র . bdnews24.com
comments | | Read More...

Popular posts

 
Design Template by Edu Blog | Support by Download Full Movies | Powered by Blogger